উদ্দীপনার খেলাঘর

                                                 অধ্যায় – ৫ (স্পেস-টাইম)

 

পদার্থবিদ্যার বহু শাখা যেমন “ক্লাসিকাল মেকানিক্স”, “স্পেশাল থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি”, “জেনারেল থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি”-র ভিৎ হলো “স্পেস-টাইম”। কখনও ভেবে দেখেছ যে কেন মানুষের বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি শুধু দূরত্ব ও সময় মাত্রার বেড়াজালে আবদ্ধ ? কেন আমাদের উপলব্ধি “স্পেস-টাইম” প্রেক্ষাপট (ব্যাকগ্রাউন্ড)  ছেড়ে বেরোতে পারে না ? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সম্ভবত লুকিয়ে আছে “গামা তরঙ্গে”। বস্তুত স্লো ওয়েভ স্লিপ, রাপিড আই মুভমেন্ট ফেজ ও জাগ্রত অবস্থায় অন্যান্য তরঙ্গের পাশাপাশি ৪০ হার্ৎজ্ কম্পাঙ্কের গামা তরঙ্গও আমাদের মস্তিষ্কে উপস্থিত থাকে । সেরিব্রাল কর্টেক্স ও থ্যালামাস সংযোগকারী যে নিউরাল লুপগুলিতে গামা তরঙ্গ বয়ে চলে, তারা আমাদের মস্তিষ্কে “স্পেস” বা “স্থান”-র  অনুভূতি জাগায় এবং গামা তরঙ্গ বহনকারী অন্যান্য নিউরাল লুপগুলি যারা সেরিব্রাল কর্টেক্স-র সাথে মিডব্রেইন ও অন্যান্য অংশকে সংযুক্ত করে তারা মস্তিষ্কে “টাইম” বা “সময়”-র উপলব্ধির জন্ম দেয়। ৪০ হার্ৎজ্ কম্পাঙ্কের এই গামা তরঙ্গ এই সকল নিউরাল লুপগুলির মধ্যে রেজোনেন্স ঘটিয়ে আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি করে “স্পেস-টাইম”-র ধারণা।

About Diganta Paul

জন্ম: ১৯৮৯ সালে ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলায়। শিক্ষা: প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা হাওড়া জিলা স্কুলে। এরপর কলকাতার "সেইন্ট থমাস্ কলেজ অফ এঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনলজি" কলেজ থেকে বৈদ্যুতিক কারিগরিবিদ্যা নিয়ে প্রযুক্তিতে স্নাতক (B.Tech. in Electrical Engineering)। পেশা: তথ্য প্রযুক্তি পেশাদার (IT Professional)। নেশা: বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা নিয়ে পড়াশোনা ও চিন্তাভাবনা। এছাড়াও বিজ্ঞান প্রবন্ধ, কল্প-বিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প ও বিজ্ঞান কবিতা লেখা।

Check Also

এম্প্যাথেটিক্ মিরর নিউরন

অপরকে হাই তুলতে দেখে আপনারও কি হাই ওঠার উপক্রম হয়? যদি আপনার এই স্বভাব নাও …

ফেসবুক কমেন্ট


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।