seezanur

বায়োটেকনেলোজি এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবী

সিজানুররহমান বায়োটেকনোলোজিএন্ডজেনেটিকইঞ্জিনিয়ারিংবিভাগ ইসলামীবিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। যদি হঠাৎকেউ আমাকে প্রশ্ন করে,’আচ্ছা বায়োটেকনোলোজি কি?’ তাহলে আমি কোন কিছু চিন্তা না করেই উত্তর দিই, “বায়োটেকনোলোজি হচ্ছে জৈব–প্রযুক্তি!” ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হলেও এর বাইরে আমার মাথায় বায়োটেকনোলোজির কোন সংজ্ঞা আসেনা।অথচ বায়োটেকনোলোজির সংজ্ঞা দেবার জন্য শতাধিক রেফারেন্স হাজির করা যায়।আর যদি প্রশ্নটা হয়,  “বায়োটেকনোলোজি কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করে?” তাহলে এর উত্তরে কয়েক মিনিট বলার পরে চিন্তা করে দেখতে হয়; কিছু বাদ গেল না তো! আসলে বর্তমানে বায়োটেকনোলোজি এতটা বিস্তৃত হয়ে পড়েছে যে, এর ক্ষেত্রগুলো কি কি তাই নিয়ে কয়েকখন্ডে একটা বইলিখলেও কম হবে; কারণ প্রতিনিয়ত বায়োটেকনোলোজির ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯১৯ সালে Karl Ereaky যখন প্রথম বায়োটেকনোলোজি শব্দটি ব্যাবহার করেন তখন এই শব্দটি শুধুমাত্র জীবিত কোন কিছুর সাহায্যে কোন পণ্য  উৎপাদন প্রক্রিয়াকেই বোঝাত। কিন্তু এখন খুব সাধারনভাবে বায়োটেকনোলোজির সংজ্ঞা দিতে গেলে বলতে হয়, ‘বায়োটেকনোলোজি বা জৈব–প্রযুক্তি এমন একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবের (উদ্ভিদ, প্রাণী কিংবা অণুজীব) দ্বারা কোন বিশেষ বস্তু বা প্রক্রিয়াকে (প্রাণীদেহেরকোনপ্রক্রিয়া) সাধারন অবস্থা থেকে মানবকল্যানের জন্য উন্নত করা হয়।’ আরো বিস্তারিত ভাবে বলতে গেলে নিম্নোক্ত সংজ্ঞাটি বলতেই হয়,‍“All applications of natural science & engineering in the direct or indirect use of living organisms or part of organisms in natural or modified forms …

Read More »