কলাম

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের মান ভালো, তবু গ্রাজুয়েটরা কেন জব পাচ্ছে না?

Share
Share

প্রফেসর ড মোহাঃ ইয়ামিন হোসেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষা ও শেখার মান ভালো এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মানও ভালো, তবুও শিক্ষার্থীরা চাকরি পাচ্ছে না—এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

নিচে বিস্তারিতভাবে এই সমস্যার কিছু কারণ তুলে ধরা হলো:

১. দক্ষতার মিল না থাকা:

অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক জীবনে যে দক্ষতাগুলো অর্জন করে, সেগুলো চাকরির বাজারের চাহিদার সাথে মেলে না। শিক্ষা ব্যবস্থা সাধারণত তাত্ত্বিক জ্ঞানের উপর বেশি জোর দেয়, কিন্তু চাকরিদাতারা প্রায়ই ব্যবহারিক দক্ষতা এবং নির্দিষ্ট শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতার দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, তথ্য প্রযুক্তির মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রে, কারিকুলাম হালনাগাদ করতে বিলম্ব হলে শিক্ষার্থীরা সময়োপযোগী দক্ষতা ছাড়াই স্নাতক হয়ে যায়।

২. শিল্পের সাথে সংযোগের অভাব:

অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত ইন্টার্নশিপ বা অ্যাপ্রেন্টিসশিপের সুযোগ পায় না, যা তাদের বাস্তব কাজের পরিবেশের সাথে পরিচিত হতে সহায়তা করে। যারা এই ধরনের সুযোগ পায় না, তারা কীভাবে তাদের তাত্ত্বিক জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করতে হয় তা বুঝতে ব্যর্থ হয়।

৩. দুর্বল ক্যারিয়ার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা:

শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা তাদের চাকরির বাজারের প্রবণতা বুঝতে, ক্যারিয়ারের পথ খুঁজে পেতে, এবং নেটওয়ার্ক তৈরিতে সাহায্য করে। কিন্তু অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার পরিষেবা যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না, যার ফলে শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর হওয়ার পর কোন পথে যেতে হবে তা নিয়ে বিভ্রান্ত থাকে। তারা কীভাবে সিভি প্রস্তুত করবে, চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুতি নেবে, বা প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করবে তা জানে না।

৪. বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাব:

অনেক শিক্ষার্থী স্নাতক হওয়ার আগে উল্লেখযোগ্য ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে না। প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে যারা ইন্টার্নশিপ, কো-অপ প্রোগ্রাম, বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তাদের বেশি পছন্দ করা হয়। উচ্চমানের শিক্ষার পরেও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার অভাবে শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে।

৫. কিছু ক্ষেত্রে চাকরির বাজারে অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা:

কিছু ক্ষেত্রে যেমন ব্যবসা প্রশাসন, মানবিক বিভাগ বা আইন বিভাগে অনেক বেশি স্নাতক বের হয়ে আসে। ফলে এই সেক্টরগুলোতে চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি প্রার্থী থাকে, যা চাকরি পাওয়ার প্রতিযোগিতা বাড়ায়। ফলে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী চাকরি খুঁজে পেতে সমস্যার সম্মুখীন হয়।

৬. নরম দক্ষতার অভাব:

অনেক শিক্ষার্থী, একাডেমিকভাবে দক্ষ হলেও, নরম দক্ষতা যেমন যোগাযোগ, দলবদ্ধভাবে কাজ করার দক্ষতা, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার অভাব অনুভব করে। এসব দক্ষতা চাকরির বাজারে টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাকরিদাতারা এখন প্রায়ই এই ধরনের ব্যক্তিগত দক্ষতার মূল্য দিয়ে থাকে।

৭. নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগের অভাব:

অনেক ক্ষেত্রেই চাকরি পেতে নেটওয়ার্কিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা যদি প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার, ইন্ডাস্ট্রির ইভেন্টে অংশ নেওয়ার বা লিঙ্কডইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সঠিক প্রশিক্ষণ না পায়, তবে তারা চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

৮. উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনের প্রতি গুরুত্বের অভাব:

অনেক শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য প্রস্তুত করতে বেশি জোর দেয়, কিন্তু তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রস্তুত করে না। অনেক অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত চাকরির সৃষ্টি হয় না। শিক্ষার্থীরা যদি উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা বা উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা অর্জন না করে, তবে তারা প্রচলিত চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়তে পারে।

৯. অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সমস্যাগুলো:

অনেক সময় সমস্যাটি কেবল শিক্ষার নয়, বরং অর্থনৈতিক অবস্থা ও চাকরির বাজারের কাঠামোগত সমস্যার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ বেকারত্ব, বা চাকরির বাজারের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি পায় না।

১০. প্রচলিত ডিগ্রির ওপর বেশি নির্ভরশীলতা:

কিছু শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত ডিগ্রির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, যেখানে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ বা সার্টিফিকেশনকে উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু অনেক আধুনিক শিল্পে বিশেষায়িত দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, যা সম্ভবত প্রচলিত একাডেমিক প্রোগ্রামে শেখানো হয় না। ফলে, শিক্ষার্থীরা এই বিশেষায়িত দক্ষতা অর্জন না করলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হয়।

১১. বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব:

বিশ্বায়িত অর্থনীতিতে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক দক্ষতা প্রয়োজন। অনেক প্রতিষ্ঠান যদি বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ, আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপ, বা বৈশ্বিক বাজারের সাথে সংযোগের সুযোগ না দেয়, তবে শিক্ষার্থীরা বহুজাতিক ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত হতে পারে না।

এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন। কারিকুলামের সংস্কার, ব্যবহারিক শিক্ষা বাড়ানো, শক্তিশালী শিল্প সম্পর্ক গড়ে তোলা, ক্যারিয়ার পরামর্শ পরিষেবা বৃদ্ধি এবং নরম দক্ষতা ও উদ্যোক্তা শিক্ষায় জোর দিয়ে শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।

এখন সমস্যা সমাধান করে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যাবে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করি:

ভালোমানের চাকরি পাওয়ার জন্য গ্র্যাজুয়েটদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত, যা তাদের চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক এবং কার্যকর করে তুলতে সাহায্য করবে।

নিচে বিস্তারিতভাবে এই পদক্ষেপগুলো আলোচনা করা হলো:

১. প্রাসঙ্গিক দক্ষতা অর্জন:

বর্তমান চাকরির বাজারে ভালো চাকরি পেতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র একাডেমিক জ্ঞান নয়, সেই সাথে প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত এবং ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করা জরুরি।

⊕ ইন্ডাস্ট্রি-স্পেসিফিক কোর্স:

অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অনলাইন কোর্স যেমন Coursera, edX, Udemy এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগত ও সফট স্কিল উন্নয়নের সুযোগ করে দিচ্ছে। এই কোর্সগুলোয় বিশেষায়িত দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব, যা বিভিন্ন শিল্পের চাহিদার সাথে মিলবে।

⊕ প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন:

প্রফেশনাল সার্টিফিকেট যেমন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, ডাটা অ্যানালিটিক্স, ডিজিটাল মার্কেটিং বা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্টিফিকেটগুলো প্রার্থীকে আরও মূল্যবান করে তোলে।

২. ইন্টার্নশিপ এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন:

গ্র্যাজুয়েটরা ইন্টার্নশিপ এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে, যা তাদের প্রফেশনাল দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হয়।

⊕ ইন্টার্নশিপ:

ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত কর্মক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। এটি তাদের কাজের পরিবেশ সম্পর্কে জ্ঞান দেয় এবং পেশাদার নেটওয়ার্ক তৈরিতে সাহায্য করে।

⊕ স্বেচ্ছাসেবী কাজ:

স্বেচ্ছাসেবী কাজ শিক্ষার্থীদের কমিউনিটি ও সামাজিক সমস্যার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গঠনের একটি মূল্যবান দিক হিসেবে কাজ করে।

৩. নেটওয়ার্কিং এবং পেশাদার যোগাযোগ:

নেটওয়ার্কিং চাকরি পাওয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পেশাদার নেটওয়ার্ক তৈরি করা শিক্ষার্থীদের চাকরির খোঁজ পাওয়া এবং কর্পোরেট দুনিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।

⊕ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম:

LinkedIn এর মতো পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের সাথে সংযোগ স্থাপন করা উচিত। এই প্ল্যাটফর্মগুলো চাকরি খোঁজার, অভিজ্ঞ পেশাদারদের পরামর্শ নেওয়ার এবং সম্ভাব্য চাকরিদাতাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য উপযোগী।

⊕ ক্যারিয়ার ফেয়ার ও ইভেন্ট:

বিভিন্ন ক্যারিয়ার ফেয়ার, সেমিনার ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের সরাসরি চাকরিদাতাদের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয় এবং ক্যারিয়ার নির্মাণের দিকনির্দেশনা দেয়।

৪. নরম দক্ষতা (Soft Skills) উন্নয়ন:

প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নরম দক্ষতা যেমন যোগাযোগের দক্ষতা, দলবদ্ধভাবে কাজ করার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী চাকরির বাজারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⊕ যোগাযোগ দক্ষতা:

ভালোভাবে যোগাযোগ করা এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা চাকরিদাতাদের কাছে মূল্যবান। গ্র্যাজুয়েটদের জন্য এ ধরনের দক্ষতা অর্জন ও অনুশীলন করা আবশ্যক।

⊕ সমস্যা সমাধানের দক্ষতা:

কর্মক্ষেত্রে সৃষ্ট সমস্যাগুলো সমাধান করার দক্ষতা থাকা আবশ্যক। এ জন্য বিভিন্ন রিয়েল-ওয়ার্ল্ড সমস্যার সমাধানে কাজ করা এবং ক্রিটিক্যাল থিংকিং দক্ষতা বাড়ানো উচিত।

৫. ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও পরামর্শ গ্রহণ:

শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরামর্শদাতাদের সাথে পরামর্শ করা এবং তাদের থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা নেওয়া উচিত। ক্যারিয়ার কাউন্সেলররা শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে, কীভাবে সিভি ও কাভার লেটার তৈরি করতে হবে, এবং কিভাবে ইন্টারভিউতে ভালো করতে হবে তা শেখায়।

⊕ মক ইন্টারভিউ:

চাকরির ইন্টারভিউতে ভালো পারফর্ম করার জন্য মক ইন্টারভিউ প্র্যাকটিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ইন্টারভিউর প্রস্তুতি নিশ্চিত করে।

⊕ ক্যারিয়ার প্ল্যানিং:

একটি সুসংগঠিত ক্যারিয়ার পরিকল্পনা তৈরি করা দরকার, যেখানে স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে। এটি তাদের ক্যারিয়ারে স্থিতিশীল ও সফল হতে সাহায্য করবে।

৬. উদ্ভাবনী এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা গড়ে তোলা:

গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা গড়ে তোলা চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হতে সহায়ক। যারা নিজস্ব উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে পারে তারা চাকরির বাজারে বিশেষভাবে মূল্যবান হয়ে ওঠে।

⊕ স্টার্টআপ ও ইনোভেশন প্রোগ্রাম:

বিভিন্ন স্টার্টআপ ও ইনোভেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করা উদ্যোক্তা মানসিকতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং নতুন কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি করতে পারে।

৭. ক্রমাগত শিক্ষার মানসিকতা (Lifelong Learning):

চাকরির বাজারে স্থিতিশীল থাকতে হলে ক্রমাগত নতুন কিছু শেখার ইচ্ছা থাকা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের নতুন দক্ষতা অর্জন এবং নিজেদের আপডেট রাখতে হবে।

⊕ নতুন দক্ষতা অর্জন:

নতুন ভাষা, প্রোগ্রামিং দক্ষতা, অথবা অন্যান্য ট্রেন্ডিং টেকনোলজি শেখা এবং তার সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া চাকরির বাজারে মূল্যবান।

৮. ফ্রিল্যান্সিং ও পার্ট-টাইম কাজ:

গ্র্যাজুয়েটরা চাকরি পাওয়ার আগে ফ্রিল্যান্সিং বা পার্ট-টাইম কাজের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারে। এটি তাদের পোর্টফোলিও সমৃদ্ধ করে এবং ভবিষ্যতের চাকরির সুযোগগুলো সহজ করে দেয়।

এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে গ্র্যাজুয়েটরা চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে এবং ভালোমানের চাকরি পেতে সক্ষম হবে। তাদের মধ্যে একটি নমনীয় মনোভাব এবং ক্রমাগত শেখার ইচ্ছা থাকা আবশ্যক, যা তাদের ক্যারিয়ারের উন্নতিতে সাহায্য করবে।

বিদ্র: ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত:——–https://www.facebook.com/share/p/19ypV3e95o/

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফ্রি ইমেইল নিউজলেটারে সাবক্রাইব করে নিন। আমাদের নতুন লেখাগুলি পৌছে যাবে আপনার ইমেইল বক্সে।

বিভাগসমুহ