সম্পাদকীয়

নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাস অর্জন করুন, সেটি নিয়ে লেগে থাকুন

Share
Share

ড. মশিউর রহমান

যারা গবেষনার সাথে যুক্ত তারা Nature নামে বিজ্ঞান জার্নাল এর কথা অবশ্যই জানেন। যারা জানেননা তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি প্রতিটি গবেষকদের জীবনে অন্তত একটি লক্ষ্য, সাধ কিংবা স্বপ্ন থাকে যে এই জার্নালে অন্তত একটি প্রকাশনা থাকবে। এমনই এর গুরুত্ব। কোন বিজ্ঞান জার্নালগুলির কেমন গুরুত্ব তা বোঝার জন্য আমরা বিজ্ঞানী ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর দিয়ে বোঝায়। সাধারণ মানের জার্নালগুলির ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর ২ থেকে ৫ এর মধ্যে। তবে সেইখানে এই নেচার জার্নালের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর হল প্রায় ৭০ এর কাছাকাছি।

মূল গল্প বলার আগে এতো কাসুন্দি করছি তার কারণ হল আপনাদের এখন যে চিঠিটা দেখাব তা ‌১৯৯২ সনের বিজ্ঞানী  প্রফেসর পিটার জে. র‍্যাটক্লিফ এর গবেষনার প্রত্যাখ্যান চিঠি। আমাদের শরীরের কোষগুলি অক্সিজেনের কম মাত্রা সনাক্ত করার একটি পদ্ধতি তিনি আবিষ্কার করেন, যা ‘হাইপক্সিয়া’ নামে পরিচিত।

তিন বছর আগে, প্রফেসর পিটার জে. র‍্যাটক্লিফ নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন তার সেই আবিষ্কারের কারণে যা এমনই স্বনামধন্য জার্নাল পাত্তা দেয়নি।

কখনও কখনও, পর্যালোচকরা আপনার কাজের গুরুত্ব বুঝতে পারেন না এবং প্রায়শই, সম্পাদকরা তাদের বিচারে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। এত ভেঙ্গে পড়ার কিছু নেই। নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাস অর্জন করুন, সেটি নিয়ে লেগে থাকুন। প্রকৃতি আপনার উপর অবিচার করবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২২

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফ্রি ইমেইল নিউজলেটারে সাবক্রাইব করে নিন। আমাদের নতুন লেখাগুলি পৌছে যাবে আপনার ইমেইল বক্সে।

বিভাগসমুহ