biggani.org (বিজ্ঞানী অর্গ) একটি স্বেচ্ছাসেবকনির্ভর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম। এই উদ্যোগের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের নিরলস শ্রম, সময় ও আন্তরিক অবদান। ওয়েবসাইট পরিচালনা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ লেখা, গবেষণামূলক বিষয় সহজ ভাষায় উপস্থাপন, বিজ্ঞানীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি – এই সমস্ত কার্যক্রমই সম্ভব হয়েছে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
biggani.org-এর লক্ষ্য হলো বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৌতূহল, যুক্তিবোধ ও গবেষণার আগ্রহ তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবকেরা লেখক, উপস্থাপক, সমন্বয়কারী, গবেষণা সহকারী, ভিডিও এডিটর ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সময় বের করে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন—যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আমাদের প্রকাশিত প্রতিটি প্রবন্ধ, আয়োজিত প্রতিটি সাক্ষাৎকার ও ইভেন্ট, এবং নিয়মিতভাবে আপডেট হওয়া ওয়েবসাইট- সবকিছুর পেছনে রয়েছে এই স্বেচ্ছাসেবকদের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা। তাদের কাজ শুধু একটি প্ল্যাটফর্মকে এগিয়ে নেয়নি, বরং বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও বিজ্ঞান যোগাযোগকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সহায়তা করেছে।
biggani.org পরিবার বিশ্বাস করে, এই স্বেচ্ছাসেবকেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের চিন্তা, শ্রম ও সৃজনশীলতা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাদের সকল অবদান স্বীকার করছি এবং ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
নিচে biggani.org-এর সঙ্গে যুক্ত সকল স্বেচ্ছাসেবকের নাম সম্মান ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করা হলো
তাহসিনুর রাইয়ান

বয়স: ১৫ বছর
অধ্যয়নরত প্রতিষ্ঠান: গোবিন্দ কুমার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর।
শ্রেণি: নবম।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়: তাহসিনুর রাইয়ান একজন সেকেন্ডারি স্টুডেন্ট, যিনি বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি দীর্ঘস্থায়ী বৌদ্ধিক আগ্রহ পোষণ করেন। জ্ঞানকেন্দ্রিক অনুসন্ধান, যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং জটিল বৈজ্ঞানিক ধারণা উপলব্ধি করায় তিনি বিশেষ উৎসাহী; ফলে তার একাডেমিক অন্বেষণ স্রেফ পরীক্ষার প্রস্তুতি ছাড়িয়ে বাস্তব জ্ঞানাভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
প্যাশন ও আগ্রহ: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স তার গভীর আগ্রহের ক্ষেত্র, বিশেষ করে মহাবিশ্বের গঠন, নক্ষত্রের বিবর্তন এবং মহাজাগতিক ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। আধুনিক গবেষণা, তাত্ত্বিক ধারণা এবং বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার ও গবেষণা সম্পর্কে জানার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ করাই তার প্রধান আগ্রহ।
কেন বিজ্ঞানী হতে চান: তার কাছে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবিষয় নয়, বরং প্রকৃতি ও মহাবিশ্বকে যুক্তি ও প্রমাণের আলোকে অনুধাবনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ, কারণ এই শাখা নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ও মহাজাগতিক ঘটনার অন্তর্নিহিত নিয়ম উন্মোচনের মাধ্যমে মানবজ্ঞানকে বিস্তৃত করে। এই সুবিশাল অজানাকে জানার তাগিদ, প্রশ্নভিত্তিক অনুসন্ধান এবং জ্ঞানের মাধ্যমে সৃষ্টির অপূর্ব কাব্যে নিজের একটি স্তবক যুক্ত করার আকাঙ্ক্ষাই তাকে বিজ্ঞানী হওয়ার প্রতি অনুপ্রাণিত করে।

Leave a comment