বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে নিত্য নতুন তথ্য এবং আপনার লেখা জমা দিতে মেইল করুন editor@biggani.org অথবা biggani.org@gmail.com।

Home / স্বাস্থ্য ও পরিবেশ / বুদ্ধিমত্তা
বুদ্ধিমত্তা

বুদ্ধিমত্তা

বাংলা ভাষায় “মাথা মোটা” কথাটা বুদ্ধিহীন অর্থে ব্যবহৃত হলেও আমরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে কথাটিকে প্রশংসা হিসাবে গ্রহণ করতে পারি কারণ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ও বুদ্ধিমত্তার জন্য সত্যই লিপিড সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। মানুষের জীবনযাত্রার ধরন, চিন্তাভাবনার বিশেষত্ব বা বয়সের ভিত্তিতে মস্তিষ্কের গঠন ক্রমাগত বদলালেও মস্তিষ্ক মোটামুটি ১০০ বিলিয়ন স্নায়ুকোষ ও বেশ কিছু স্নায়ুকোষের সাহায্যকারী কোষ বা “গ্লিয়াল কোষ” নিয়ে তৈরি হয়। এই স্নায়ুকোষের সাধারণত তিনটি অংশ থাকে – গোলাকার অংশটি যেখানে নিউক্লিয়াস থাকে তাকে “কোষ দেহ” বা “সোমা” বলে, সরু ও লম্বা সুতোর মত অংশটি “অ্যাক্সন” নামে পরিচিত এবং স্নায়ুকোষের প্রবর্ধিত ছোট ছোট ও অসংখ্য শাখায় বিভক্ত অংশগুলিকে আমরা “ডেনড্রাইট” নামে জানি। এত সংখ্যক স্নায়ুকোষের প্রতিটির কোষ দেহ যে পর্দা (প্লাজমা মেমব্রেন)  দ্বারা ঢাকা থাকে, সেটি তৈরি হয় লিপিড-র দুটি স্তর নিয়ে। শুধু তাই নয়। হোয়াইট ম্যাটার বা যে স্নায়ুকোষগুলি দৈর্ঘ্যে বড় এবং যাদের মধ্য দিয়ে মস্তিষ্কের বেশ দূর দূর অংশে তথ্য পৌঁছে যায়, তাদের অ্যাক্সন যে মায়োলিন আবরণে ঢাকা থাকে তারও ৮০% -ই লিপিড। এ থেকেই বোঝা যায় যে আমদের সকলেরই মাথা কত মোটা।

আমরা কি করতে পারি তা নির্ভর করে আমরা নিজেদের সম্পর্কে জানতে কতটা আগ্রহী তার উপর। নিঃসন্দেহে আমরা আমাদের মস্তিষ্ক দ্বারাই পরিচালিত হই। তাই বলা যায় যে, মস্তিষ্ক কি করতে পারে তা নির্ভর করে মস্তিষ্ক তার নিজের সম্পর্কে জানতে কতটা আগ্রহী তার উপর। একটি মস্তিষ্ক তার নিজের সম্পর্কে জানতে কতটা আগ্রহী তার পরিমাপ হলো “স্মৃতি”(মেমোরি) ও “চিন্তা”(থট্)। আপনি শুধু নিজের সম্পর্কে নয়, অনেক ক্ষেত্রেই আপনি অন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত তথ্যও মনে রাখেন বা অন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কেও চিন্তা করেন কিন্তু ভুললে চলবে না যে, আপনার মস্তিষ্ক নিজেকে আরো ভালোভাবে জানতে আগ্রহী বলেই সেই তথ্যগুলি তার স্মৃতিতে ধরে রাখে ও নিজেকে জানতে প্রয়োজনমত স্মরণ করে বা নতুন কিছু চিন্তা করে। ভাবলে হয়ত আবাক হবেন যে, একটি তথ্য জানার সময় আপনার মস্তিষ্কের ঠিক যে স্নায়ুকোষগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে, সেই একই তথ্য স্মরণ করার সময় সেই একই স্নায়ুকোষসমূহ সক্রিয় হয় না। শুধু তাই নয়, ঐ একই তথ্য বা বিষয় বা ঘটনা আপনি যতবারই স্মরণ করুন না কেন, দেখা যাবে যে প্রতিবার সক্রিয় হয়ে ওঠা স্নায়ুকোষের দলে হয় নতুন কোন স্নায়ুকোষ নাম লিখিয়েছে বা পুরনো কোন স্নায়ুকোষ অনুপস্থিত। আসলে প্রতিবার কিছু স্মরণ করার পর আপনার মস্তিষ্ক বিবর্তিত হয়, তাই স্মৃতিচারণের মাধ্যমে মস্তিষ্ক যতবারই নিজেকে জানে, নিজেকে একদম নতুন করে খুঁজে পায়। আরেকটা বিষয় জানলে বোধহয় আপনি আরও অবাক হবেন। পরীক্ষাগতভাবে প্রমাণিত যে, মস্তিষ্কের কাছে জানা তথ্য স্মরণ করা আর নতুন কিছু চিন্তা করার মধ্যে পার্থক্য খুব কম – তাই মস্তিষ্কের কাছে যে কোন আবিষ্কার কোন না কোন জানা সত্যকে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা ছাড়া আর কিছুই নয়। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে “স্মৃতি” ও “চিন্তা”- এই দুই স্তম্ভের উপরই গড়ে ওঠে “বুদ্ধিমত্তা”-র ইমারত আর মস্তিষ্ক কি করতে পারে তার পরিমাপ হলো এই “বুদ্ধিমত্তা”।

মানুষের বুদ্ধিমত্তা মূলত দুই রকম – “যৌক্তিকতা”(রাশানালিটি) এবং “কল্পনা”(ইম্যাজিনেশন্) বা “স্বজ্ঞা”(ইন্টিউশন্) [স্বজ্ঞা হলো কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বা সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে করা কল্পনা]। স্নায়ুবিজ্ঞানের আলোকে যৌক্তিকতা কি তা নিশ্চিত করে বলা কিংবা কল্পনা বা স্বজ্ঞার নির্দিষ্ট একটা ব্যখ্যা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হলেও সম্ভাব্য কোন ব্যখ্যা খাড়া করার চেষ্টা করা যেতেই পারে।

যৌক্তিকতা

আমাদের মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্স কতগুলি লোবে (খন্ড)  বিভক্ত –  ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অকিপিটাল লোব ও টেম্পোরাল লোব।

অকিপিটাল লোব-এ অবস্থিত  ভিসুয়াল কর্টেক্স-এর কাছাকাছি রয়েছে একটি নিউরাল লুপ (নিউরাল লুপ হলো কতগুলি স্নায়ুকোষের সমষ্টি যারা কোন একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য একটি সিরিস বা ক্রমে সংযুক্ত থেকে তথ্যকে মস্তিষ্কের এক স্থান থেকে স্থানান্তরে বয়ে নিয়ে যায়)  যা দৃষ্টি সম্বন্ধীয় তথ্যের (ভিসুয়াল ডেটা)  শর্ট টার্ম মেমোরি (স্বল্প মেয়াদী স্মৃতি)  হিসাবে ব্যবহৃত হয়।  এছাড়াও একটি ফোনোলজিকাল নিউরাল লুপ আছে যা ফ্রন্টাল লোব-এ অবস্থিত “ব্রকাস্ এরিয়া”-র সাথে সম্মিলিতভাবে শব্দ ও ভাষা সম্বন্ধীয় তথ্যের (অডিও ডেটা)  শর্ট টার্ম মেমোরি হিসাবে কাজ করে। এই প্রসঙ্গে “শর্ট টার্ম মেমোরি” কি তা সহজ করে বলে দিই। আপনি এখন যে বাক্যটা পড়ছেন তার অর্থ বুঝতে গেলে বাক্যের শেষের দিকের অংশটা পড়ার সময় বাক্যের শুরুটাও আপনাকে মনে রাখতে হবে আর আপনার মস্তিষ্কের শর্ট টার্ম মেমোরি -ই এই কাজটা করে দেয় – অর্থাৎ অল্প সময়ের  (১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড অথবা কখনও ১ মিনিট) জন্য অল্প কিছু তথ্য সে ধরে রাখে।

সেরিব্রাল কর্টেক্স এর ফ্রন্টাল লোব এর সামনের দিকে অবস্থিত “প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স” এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী অংশটি (সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ পার্ট), প্রয়োজন মত পূর্বোক্ত দুই প্রকার শর্ট টার্ম মেমোরি -তে সংগৃহীত তথ্যগুলিকে সার্চ ক্রাইটেরিয়া হিসাবে ব্যবহার করে ডিক্ল্যারেটিভ লং টার্ম মেমোরি (ব্যক্ত দীর্ঘ মেয়াদী স্মৃতি) থেকে  বহু এনকোডেড্ (সংকেতাক্ষরে লিখিত)  তথ্য উদ্ধার(রিট্রিভ) করে তাকে ডিকোড্ (পাঠোদ্ধার করা) করে – একেই মস্তিষ্কের “কার্য-কারণ (ক্যসালিটি)  ভিত্তিতে স্মরণ করা” বলা হয়ে থাকে। আর এনকোডেড্ তথ্যগুলিকে উদ্ধার করে ডিকোড্ করার পর তাদেরকে কাজে লাগানোর জন্য যদি পুনরায় এনক্রিপ্ট করা হয়, তারই নাম “কার্য-কারণ (ক্যসালিটি)  ভিত্তিতে নতুন কিছু ভাবা বা চিন্তা করা”[অর্থাৎ একটি মস্তিষ্কের যে কোন নতুন ভাবনা হলো আদতে ঐ মস্তিষ্কেরই কোন না কোন স্মৃতির এনক্রিপ্টেড্ রূপ]। এই দুই নিয়েই “যৌক্তিকতা”। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মস্তিষ্ক একই তথ্যকে যতবারই এনকোড্ বা ডিকোড্ বা এনক্রিপ্ট করুক না কেন, প্রত্যেকটি ডিকোডেড্ রূপ(ফর্ম) বা এনক্রিপ্টেড্ রূপ যেমন অনন্য হয়, প্রত্যেকটি এনকোডেড্ রূপও তেমনই অনন্য। তাই মস্তিষ্ক চিন্তা বা স্মরণ করার পর তথ্যসমূহকে সঞ্চিত রাখার জন্য পুনরায় তাকে এনকোড্ করে নিলে, সেই নতুন করে এনকোড্ করা তথ্যের ধারক হিসাবে মস্তিষ্কেরও বিবর্তন অবশ্যম্ভাবি হয়ে পড়ে।

 এখন “এনকোডিং” ও “এনক্রিপ্শন” এর প্রধান পার্থক্য কি তা বোঝা আবশ্যক। তথ্যকে এনকোড্ করা হয় যাতে প্রায় সকল ভোক্তা (কন্সিউমার)  তাকে ডিকোড্ করে তার পাঠোদ্ধার করতে পারে কিন্তু এনক্রিপ্ট করা হয় যাতে নির্দিষ্ট কিছু ভোক্তাই সেই তথ্য বোঝে। নির্দিষ্ট ভোক্তা ছাড়াও বাকি ভোক্তারা এনক্রিপ্টেড্ তথ্য বুঝে নিতেই পারে কিন্তু তা অনেক ক্ষেত্রেই  সময় সাপেক্ষ। “স্পেশাল থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি” তত্ত্বের ইতিহাস ঘাঁটলে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইন্সটাইন এর মস্তিষ্কের যে চিন্তা-ভাবনা থেকে এই তত্ত্বের জন্ম হয়, তার এনক্রিপ্শন্ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তৎকালীন অধিকাংশ জ্ঞানী-গুণী বিজ্ঞানীর মস্তিষ্ক তার মর্ম বোঝেনি – ব্যতিক্রম ছিলেন বিজ্ঞানী প্লাঙ্ক। প্রায় সমগ্র বিজ্ঞানী মহলেই এই তত্ত্ব স্বীকৃতি পায় ঠিকই কিন্তু তা সম্ভব হতে বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়।

“ডিক্ল্যারেটিভ লং টার্ম মেমোরি” কি তা আলোচনা করা বাকি রয়ে গেছে। আপনি তিন-চার বছর বা তারও আগে যে সিনেমাটি দেখেছেন তার বিষয়বস্তু অথবা কোথাও বেড়াতে গিয়ে আপনি কি কি করেছেন বা কি কি দেখেছেন তা স্মরণ করে গরগর করে বলে দিতে পারেন এই ডিক্ল্যারেটিভ লং টার্ম মেমোরি-র বদান্যতায়। মস্তিষ্ক যে তথ্যগুলো এই ব্যক্ত দীর্ঘ মেয়াদী স্মৃতি হিসাবে সঞ্চিত রাখবে বলে ঠিক করে, টেম্পোরাল লোব-র মধ্যভাগে অবস্থিত হিপ্পোক্যাম্পাস, এন্টোরাইনাল কর্টেক্স ও পেরিরাইনাল কর্টেক্স অংশ তিনটি তথ্যগুলিকে এনকোড্ (সংকেতাক্ষরে লেখা) করে কিন্তু তথ্যগুলির কনসলিডেশন্ (একত্রীকরণ) ও তারপর তারা সঞ্চিত হয় (স্টোরিং)  সাধারণত টেম্পোরাল কর্টেক্সে।

কল্পনা বা স্বজ্ঞা

কিছু বিষয় আছে যা স্মরণ করতে হয় না বা স্মরণে রাখতে হয় না, স্মরণে রয়ে যায়। আমি সাইকেল চালানো শিখে তিন বছর অল্প-বিস্তর সাইকেল চালিয়েছিলাম। গত এগারো বছর আমি সাইকেল ছুঁইনি পর্যন্ত কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী যে সাইকেল চালাতে গিয়ে আমি মোটেই ভারসাম্য হারাবো না কারণ সাইকেল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ (কিংবা কোন বাদ্যযন্ত্র বাজানোর দক্ষতা)  মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই তার প্রোসিডিউরাল লং টার্ম মেমোরি (পদ্ধতিগত দীর্ঘ মেয়াদী স্মৃতি)-তে জমা করে রাখে। তবে এমন অনেক তথ্য আছে যারা ডিক্ল্যারেটিভ লং টার্ম মেমোরি-র জন্য উপযুক্ত হলেও সেই তথ্যের দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশী ব্যবহারের জন্য মস্তিষ্ককে প্রায়ই তথ্যগুলিকে চট্-জল্দি স্মরণ করতে হয় কিংবা কিছু বিষয়ে আমাদের পছন্দ বা বিশেষ অনুভূতির কারণে মস্তিষ্ক সেই সংক্রান্ত তথ্যগুলি নিজ স্মৃতিতে চিরস্থায়ী করতে চায়। এই সকল ক্ষেত্রে প্রোসিডিউরাল লং টার্ম মেমোরি-ই ভরসা। সেরিবেলাম, পুটামেন, কডেট নিউক্লিয়াস ও মোটর কর্টেক্স – মস্তিষ্কের এই চারটি অংশ নিয়ে প্রোসিডিউরাল লং টার্ম মেমোরি তৈরি হয় যেখানে তথ্যগুলির এনকোডিং ও স্টোরিং উভয়ই সম্পাদিত হয়।

“যৌক্তিকতা” আলোচনা করার সময়, মস্তিষ্কের স্মরণ করা বা চিন্তা করার যে প্রক্রিয়াটা ইতিমধ্যে বলেছি, সেই প্রক্রিয়ায় যদি ডিক্ল্যারেটিভ লং টার্ম মেমোরি-র জায়গায় এই প্রোসিডিউরাল লং টার্ম মেমোরি-কে বিবেচনা করি, তাহলে মস্তিষ্কের চিন্তা বা স্মরণ করাটা নিতান্তই যুক্তি-নিরপেক্ষ হয়  – এটিই মস্তিষ্কের  কল্পনা বা স্বজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। স্বজ্ঞা ও কল্পনার মধ্যে পার্থক্য এইটুকুই যে কল্পনা হলো এনক্রিপ্টেড্ তথ্যসমূহের সমষ্টি কিন্তু স্বজ্ঞা মধ্যস্থিত তথ্যগুলি ডিকোডেড্ রূপে থাকে।

 

যাই হোক্, “বুদ্ধিমত্তা” সম্পর্কে আপনার বুদ্ধি কি বলে?

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আরো নতুন নতুন সংবাদ জানতে সাবস্ক্রাইব করুন।

About Diganta Paul

জন্ম: ১৯৮৯ সালে ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলায়। শিক্ষা: প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষা হাওড়া জিলা স্কুলে। এরপর কলকাতার "সেইন্ট থমাস্ কলেজ অফ এঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনলজি" কলেজ থেকে বৈদ্যুতিক কারিগরিবিদ্যা নিয়ে প্রযুক্তিতে স্নাতক (B.Tech. in Electrical Engineering)। পেশা: তথ্য প্রযুক্তি পেশাদার (IT Professional)। নেশা: বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা নিয়ে পড়াশোনা ও চিন্তাভাবনা। এছাড়াও বিজ্ঞান প্রবন্ধ, কল্প-বিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প ও বিজ্ঞান কবিতা লেখা।

Check Also

এম্প্যাথেটিক্ মিরর নিউরন

অপরকে হাই তুলতে দেখে আপনারও কি হাই ওঠার উপক্রম হয়? যদি আপনার এই স্বভাব নাও …

ফেসবুক কমেন্ট


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Advertisements

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে নিত্য নতুন তথ্য এবং আপনার লেখা জমা দিতে মেইল করুন editor@biggani.org অথবা biggani.org@gmail.com।