biggani.org (বিজ্ঞানী অর্গ) একটি স্বেচ্ছাসেবকনির্ভর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম। এই উদ্যোগের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের নিরলস শ্রম, সময় ও আন্তরিক অবদান। ওয়েবসাইট পরিচালনা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ লেখা, গবেষণামূলক বিষয় সহজ ভাষায় উপস্থাপন, বিজ্ঞানীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি – এই সমস্ত কার্যক্রমই সম্ভব হয়েছে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
biggani.org-এর লক্ষ্য হলো বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৌতূহল, যুক্তিবোধ ও গবেষণার আগ্রহ তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবকেরা লেখক, উপস্থাপক, সমন্বয়কারী, গবেষণা সহকারী, ভিডিও এডিটর ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সময় বের করে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন—যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আমাদের প্রকাশিত প্রতিটি প্রবন্ধ, আয়োজিত প্রতিটি সাক্ষাৎকার ও ইভেন্ট, এবং নিয়মিতভাবে আপডেট হওয়া ওয়েবসাইট- সবকিছুর পেছনে রয়েছে এই স্বেচ্ছাসেবকদের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা। তাদের কাজ শুধু একটি প্ল্যাটফর্মকে এগিয়ে নেয়নি, বরং বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও বিজ্ঞান যোগাযোগকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সহায়তা করেছে।
biggani.org পরিবার বিশ্বাস করে, এই স্বেচ্ছাসেবকেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের চিন্তা, শ্রম ও সৃজনশীলতা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাদের সকল অবদান স্বীকার করছি এবং ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
নিচে biggani.org-এর সঙ্গে যুক্ত সকল স্বেচ্ছাসেবকের নাম সম্মান ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করা হলো
তানজিম আবুবকর
বয়স: ২৩
অধ্যায়নরত প্রতিষ্ঠান: সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি
বিষয় : কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: আমি একজন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী, আমার আগ্রহ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সংযোগস্থলে কাজ করার দিকে। মানব মস্তিষ্ক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জটিলতা আমাকে সবসময় গভীরভাবে আকর্ষণ করে।
প্যাশন ও আগ্রহ: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং এবং নিউরোসায়েন্স আমার প্রধান আগ্রহের ক্ষেত্র। বিশেষ করে মানুষের চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে প্রযুক্তির মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।
কেন বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহী: আমি বিশ্বাস করি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও নিউরোসায়েন্স একসাথে ভবিষ্যতের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং মানবিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গবেষণাভিত্তিক কাজের মাধ্যমে প্রযুক্তিকে আরও মানবকেন্দ্রিক করে তোলাই আমার লক্ষ্য।


Leave a comment