biggani.org (বিজ্ঞানী অর্গ) একটি স্বেচ্ছাসেবকনির্ভর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম। এই উদ্যোগের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের নিরলস শ্রম, সময় ও আন্তরিক অবদান। ওয়েবসাইট পরিচালনা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ লেখা, গবেষণামূলক বিষয় সহজ ভাষায় উপস্থাপন, বিজ্ঞানীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি – এই সমস্ত কার্যক্রমই সম্ভব হয়েছে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
biggani.org-এর লক্ষ্য হলো বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৌতূহল, যুক্তিবোধ ও গবেষণার আগ্রহ তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবকেরা লেখক, উপস্থাপক, সমন্বয়কারী, গবেষণা সহকারী, ভিডিও এডিটর ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সময় বের করে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন—যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আমাদের প্রকাশিত প্রতিটি প্রবন্ধ, আয়োজিত প্রতিটি সাক্ষাৎকার ও ইভেন্ট, এবং নিয়মিতভাবে আপডেট হওয়া ওয়েবসাইট- সবকিছুর পেছনে রয়েছে এই স্বেচ্ছাসেবকদের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা। তাদের কাজ শুধু একটি প্ল্যাটফর্মকে এগিয়ে নেয়নি, বরং বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও বিজ্ঞান যোগাযোগকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সহায়তা করেছে।
biggani.org পরিবার বিশ্বাস করে, এই স্বেচ্ছাসেবকেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের চিন্তা, শ্রম ও সৃজনশীলতা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাদের সকল অবদান স্বীকার করছি এবং ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।
নিচে biggani.org-এর সঙ্গে যুক্ত সকল স্বেচ্ছাসেবকের নাম সম্মান ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করা হলো
ফারহানা জুই মিথিলা

বয়স: ২২ বছর
অধ্যয়নরত প্রতিষ্ঠান: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
বিষয়: বিবিএ (ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: ফারহানা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ অধ্যয়নরত একজন আগ্রহী শিক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষার পাশাপাশি মানুষের আচরণ, চিন্তাভাবনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া তাকে গভীরভাবে আকর্ষণ করে।
প্যাশন ও আগ্রহ: সাইকোলজি, হিউম্যান বিহেভিয়ার, কনজিউমার সাইকোলজি এবং মানুষের মানসিক প্রেরণা নিয়ে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
কেন বিজ্ঞান/গবেষণায় আগ্রহী: ফারহানা বিশ্বাস করেন, ব্যবসা ও সাইকোলজির সমন্বয় সমাজ ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। ভবিষ্যতে গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান ব্যবহার করে মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে কাজ করতে চান।

Leave a comment