Home / বিজ্ঞান বিষয়ক খবর / নতুন সাশ্রয়ী সোলার সেল

নতুন সাশ্রয়ী সোলার সেল

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট-এর গবেষকরা
সূর্যের আলো এবং তাপ একটানা শোষণ করতে পারে এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই
পদ্ধতি ব্যবহার করে উন্নত সৌরকোষ তৈরি করা যাবে যা এখনকার সৌরকৌষের তুলনায় দ্বিগুণ
ক্ষমতাসম্পন্ন হবে। খবর সায়েন্স ডেইলির।

গবেষকদের বরাতে জানা গেছে, সূর্যের
আলো শোষণের এই পদ্ধতিকে ‘ফোটন এনহ্যান্সড থার্মোনিক এমিশন’ বা সংক্ষেপে পিইটিই বলা
হয়।

গবেষকদের বরাতে জানা গেছে, সাধারণ সৌরকোষের তুলনায় এই পদ্ধতিটি ভিন্ন।
সাধারণ সৌরকৌষে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে দক্ষতা কমে যায় কিন্তু পিইটিই-তে ব্যবহৃত
উপাদানের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে দক্ষতা কমে না।
গবেষকদের বরাতে
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সাধারণ সৌরকোষ ফটোভোল্টটিক মেকানিজম অনুসারে কাজ করে। তাই
বেশি তাপ পড়লে সৌরকোষের উপাদান গরম হয়ে যায় আর এর ফলে কর্মদক্ষতাও হারায়।
অন্যদিকে, পিইটিই-তে পদার্থবিদ্যার সাধারণ এই সূত্র মানা হয়নি।

গবেষকরা
জানিয়েছেন, এতে ব্যবহার করা হয়েছে সিলিকনের তৈরি যৌগ যাতে তাপ পড়লে সেটি গরম
হবার পরিবর্তে তাপ শোষণ করে আরো শীতল হতে সক্ষম।

গবেষকরা জানিয়েছেন,
এক্ষেত্রে তাপ যতো বেশি হবে শক্তিও বেশি উৎপন্ন হবে। সাধারণ কোষের বেলায় তাপমাত্রা
১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই যেখানে কাজে ব্যাঘাত ঘটে সেখানে পিইটিই ২০০ ডিগ্রি
সেলসিয়াসের উপরে গেলে কাজের দক্ষতা বেড়ে যায়।

জানা গেছে, থালার মতো দেখতে
পিইটিই ডিভাইসটিতে আলো এসে পড়লে বিদ্যুৎ তৈরি হয় আর অপ্রয়োজনীয় তাপ থার্মাল
কনভার্শন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, পিইটিই-তে সহজপ্রাপ্য এবং সস্তা
উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এটি থেকে যে শক্তি পাওয়া যাবে তার জন্য খরচও হবে
বেশ কমই।

 

 

RTNN এ প্রকাশিত: ২৬ আগষ্ট ২০১০

About ড. মশিউর রহমান

বর্তমানে সিঙ্গাপুরে একটি গবেষনাকেন্দ্র বৈজ্ঞানিক হিসাবে কর্মরত।

Check Also

Airship Technology (উড়োজাহাজ প্রযুক্তি)

  Coauthored the Materials chapter by Shafiul Islam and Peter Bradley. 2nd Edition: Published from …

ফেসবুক কমেন্ট


  1. ড. মশিউর রহমান,
    Thank you very much for your interesting news. Please share the original news link too. ScienceDaily published this article on July 20/10: ‘Breakthrough in Thin-Film Solar Cells: New Insights Into the Indium/Gallium Puzzle’: http://www.sciencedaily.com/releases/2010/07/100719083044.htm. Are you referring to this article? I was unable to spot the RTNN publication.
    Regards,
    শফিউল

  2. ড. মশিউর, Thank you for the link. শফিউল

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।